মাগুরা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইসলামের বিধান অনুযায়ী, প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমান নরনারীর ওপর কোরবানি ওয়াজিব। সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবি: প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় সরকার।  বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নেতৃত্ব—জাপানে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। জিলহজ্ব মাসের প্রথম ১০ দিনের ফজিলতপূর্ণ আমল ও করণীয় বুধবার সকালে মুক্তি পাচ্ছেন এটিএম আজহারুল ইসলাম: শিশির মনির।    দায়িত্বপালনের মাঝপথে সরে না যেতে প্রধান উপদেষ্টাকে রাজনৈতিক দলগুলোর একতাবদ্ধ আহ্বান। জামিয়ার অভিভাবক সম্মেলনে আসাতিযায়ে কেরামের বিশেষ সম্মাননা।  কালুপারা মাদরসারা মাগুরার অভিভাবক সম্মেলন ও কৃতী শিক্ষার্থী সম্মাননা অনুষ্ঠান। আছিয়া ধর্ষণ হত্যা মামলায় রায়: হিটু শেখের ফাঁসি, ৩ জন খালাস—ন্যায়বিচারের গর্বিত মুহূর্ত।

নতুন রাজনীতির পথে? জামায়াতের নিবন্ধন ও প্রতীক ফেরতের আপিলের রায় ১ জুন।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • / ৭০৯ বার পড়া হয়েছে
arafatnews24 অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
Spread the love

নতুন রাজনীতির পথে? জামায়াতের নিবন্ধন ও প্রতীক ফেরতের আপিলের রায় ১ জুন।

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর রাজনৈতিক দল হিসেবে ফিরে আসার আশায় আপিল বিভাগে সর্বশেষ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আগামী **১ জুন** এই দলের নিবন্ধন ও বহুল আলোচিত **দাঁড়িপাল্লা প্রতীক** ফেরতের আবেদন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিতে যাচ্ছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

১৪ মে, বুধবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এ রায়ের দিন নির্ধারণ করে। জামায়াতের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক ও শিশির মনির। নির্বাচন কমিশনের হয়ে যুক্তি উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম।

এর আগে ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর আইনজীবী অনুপস্থিত থাকার কারণে আপিলটি খারিজ হয়ে গেলেও, নতুন করে রিস্টোর (পুনরুজ্জীবন) আবেদনের মাধ্যমে আবারো বিচারিক প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর শুরু হয় নতুনভাবে শুনানি, যার পরিণতি হতে যাচ্ছে ১ জুনের রায়ে।

প্রসঙ্গত, জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের ইতিহাস দীর্ঘ ও বিতর্কিত। ২০০৮ সালে সাময়িকভাবে নিবন্ধন পেলেও, ২০১৩ সালে হাইকোর্ট সেটিকে আইন বহির্ভূত বলে ঘোষণা করে। এরপর শুরু হয় আইনি লড়াই, যা দীর্ঘ এক দশক পর আবারো গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে যাচ্ছে।

এদিকে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও এসেছে বড় পরিবর্তন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, জামায়াতের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নতুন সরকার। এই পরিবর্তনের মধ্যেই আদালতের দ্বারস্থ হয় দলটি।

এই রায় শুধু জামায়াত নয়, বাংলাদেশের রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। নিবন্ধন ফিরে পেলে আগামী জাতীয় নির্বাচনে নতুন বাস্তবতায় ফেরা এক পুরনো রাজনৈতিক শক্তির প্রত্যাবর্তন ঘটবে।

এখন নজর ১ জুনের রায়ের দিকে—নতুন দিগন্তের সূচনা, নাকি পুরনো পথের পুনরাবৃত্তি? সময়ই বলে দেবে উত্তর।

Visited 60 times, 1 visit(s) today

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নতুন রাজনীতির পথে? জামায়াতের নিবন্ধন ও প্রতীক ফেরতের আপিলের রায় ১ জুন।

আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
Spread the love

নতুন রাজনীতির পথে? জামায়াতের নিবন্ধন ও প্রতীক ফেরতের আপিলের রায় ১ জুন।

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর রাজনৈতিক দল হিসেবে ফিরে আসার আশায় আপিল বিভাগে সর্বশেষ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আগামী **১ জুন** এই দলের নিবন্ধন ও বহুল আলোচিত **দাঁড়িপাল্লা প্রতীক** ফেরতের আবেদন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিতে যাচ্ছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

১৪ মে, বুধবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এ রায়ের দিন নির্ধারণ করে। জামায়াতের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক ও শিশির মনির। নির্বাচন কমিশনের হয়ে যুক্তি উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম।

এর আগে ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর আইনজীবী অনুপস্থিত থাকার কারণে আপিলটি খারিজ হয়ে গেলেও, নতুন করে রিস্টোর (পুনরুজ্জীবন) আবেদনের মাধ্যমে আবারো বিচারিক প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর শুরু হয় নতুনভাবে শুনানি, যার পরিণতি হতে যাচ্ছে ১ জুনের রায়ে।

প্রসঙ্গত, জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের ইতিহাস দীর্ঘ ও বিতর্কিত। ২০০৮ সালে সাময়িকভাবে নিবন্ধন পেলেও, ২০১৩ সালে হাইকোর্ট সেটিকে আইন বহির্ভূত বলে ঘোষণা করে। এরপর শুরু হয় আইনি লড়াই, যা দীর্ঘ এক দশক পর আবারো গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে যাচ্ছে।

এদিকে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও এসেছে বড় পরিবর্তন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, জামায়াতের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নতুন সরকার। এই পরিবর্তনের মধ্যেই আদালতের দ্বারস্থ হয় দলটি।

এই রায় শুধু জামায়াত নয়, বাংলাদেশের রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। নিবন্ধন ফিরে পেলে আগামী জাতীয় নির্বাচনে নতুন বাস্তবতায় ফেরা এক পুরনো রাজনৈতিক শক্তির প্রত্যাবর্তন ঘটবে।

এখন নজর ১ জুনের রায়ের দিকে—নতুন দিগন্তের সূচনা, নাকি পুরনো পথের পুনরাবৃত্তি? সময়ই বলে দেবে উত্তর।

Visited 60 times, 1 visit(s) today